তিনি বলেন, তবে একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে একটি কথাই বলতে পারি, জনগণের রায়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনে সক্ষম হলে সেনাবাহিনীকে অবশ্যই রাজনৈতিক কোন স্বার্থে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।
সেনাবাহিনীর সম্মান ভুনুন্ঠিত হয় এমন কোন কাজ-বিএনপি অতীতেও করেনি বর্তমানেও না এবং ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও করবে না। কারণ বিএনপির সব সময় বাংলাদেশের পক্ষের দল। বিএনপির সব সময় স্বাধীনতা ও সর্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি।
রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি মাঠে শক্তিশালী থাকলে, বাংলাদেশ শক্তিশালী থাকে। সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাও অক্ষুন্ন থাকবে। সেনাবাহিনী অবশ্যই রাজনৈতিক সম্পর্কের সচেতন থাকবে, তবে রাজনীতিতে বিলীন হয়ে যাওয়া অবশ্যই উচিত হবে না। রাজনীতির চাদরে তাদের পেশাদারিত্ব যেন আবর্তিত হয়ে না যায় সে ব্যাপারে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ও সদস্যদের সচেতন থাকা জরুরী।
এসময় মেজর (অব.) মিজানুর রহমান উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আগামী নির্বাচনে যে যেখানে আছে, জাতীয়তাবাদকে বিশ্বাস করে সবাই তারেক রহমানকে সাপোর্ট করবেন। গণতান্ত্রিক পথ বেছে নিতে কেউ ভুল করবেন না।
তিনি তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গত ১৭ বছর কী পরিমাণ নিপিড়ন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তা বলে বুঝানো যাবে না। গুলশানে আমার বাসার দরজা ভেংঙে আমাকে আমার স্ত্রী সন্তানের সামনে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ট্রমা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। জানিনা এই বিচার কবে পাবো। আমরা চাই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ। আপনি দৃঢ় হলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ আপনি গড়ে তুলতে পারবেন বলে বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে ঢাকা ১৭ আসনে আপনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর স্বাগত বক্তব্য দেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এডিসি হিসেবে কাজ করা কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ খান, মেজর (অব.) জামাল হয়দার, বিডিআররের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সন্তান রাকিন আহমেদ প্রমুখ