ব্রেন টিউমারের আঘাতে বদলে গেছে সুজনের পুরো জীবন। একসময় স্বাভাবিক ও কর্মচঞ্চল জীবনযাপন করা সুজন এখন শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত। মরণব্যাধি ব্রেন টিউমারের কারণে তাঁর চলাফেরা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত।
দ্বীপ জেলা ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা। এই মনপুরা উপজেলার ২ নং হাজীরহাট ইউনিয়ন এর সোনার চর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আজাহার মিয়ার ৩ নাম্বার ছেলে সুজন (২৪)। সুজনের বয়স যখন ১৫ তখন হটাৎ করে ধরা পরে ব্রেইন টিউমারে। সুজনের পরিবার এই ব্রেইন টিউমার ভালো করার জন্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যায় করেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারেনি সুজনের স্বাভাবিক জীবন। সুজনের পরিবার তাদের সর্বশ হাড়িয়ে এখন সুজনের পরিবারের চোখে মুখে শুধুই হতাশা। এখন ডক্টর বলছে ৩-৪ লক্ষ টাকা হলে সুজনের অপারেশন করে সুস্থ করে আনা হয়তো সম্ভব হবে। ২৪ বছরের টগবগে যুবকের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে টাকার সন্ধানে দিক বেদিক ছুটে চলছেন সুজনের বাবা মা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে হঠাৎ শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন সুজন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের পর জীবন রক্ষা পেলেও টিউমারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তিনি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। সুজনের বাবা-মা দাবি করেন আমার ছেলে কে ডাক্তার ভুল চিকিৎসা করে যার ফলে সে( সুজন) ভালো না হয়ে প্রতিবন্ধি ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলে।
বর্তমানে সুজনের স্বাভাবিক চলাফেরা, কথা বলা ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অন্যের সহযোগিতা প্রয়োজন হচ্ছে। উপার্জনের সক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন তিনি। চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা এই পরিবারের পক্ষে বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীরা সুজনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছেন, যাতে সুজন যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ পান এবং নতুন করে জীবন সংগ্রামে ফিরতে পারেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো: আবু মুসা স্বাধীন ৭১ কে বলেন,ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হওয়া সুজনের পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে আবেদন করা হলে আমি তাদেরকে সরকারিভাবে সহযোগিতা করব’