চাঁদপুর, ২০ এপ্রিল: বাঁশি উৎসবকে ঘিরে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। গত ১৬ এপ্রিল এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানা এ প্রতিবাদ জানান।
যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, প্রথম ‘বাঁশি উৎসব’ ২০২১ সালে জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন কার্যকরী কমিটির সভায় প্রস্তাব দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরে অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানাকে আহ্বায়ক এবং রফিকুজ্জামান রণিকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রফিকুজ্জামান রণি নিজেকে কার্যক্রম থেকে গুটিয়ে নেন এবং পরবর্তীতে আয়োজনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকেননি। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তার এমন আচরণে আয়োজনের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বাঁশি উৎসবের রূপকার বা পরিকল্পনাকারী হিসেবে রফিকুজ্জামান রণির দাবি ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক। এ বিষয়ে সংগঠন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, পরবর্তীতে দ্বিতীয় বাঁশি উৎসব আয়োজনের পর একটি পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে সংশ্লিষ্টদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল, যেখানে রফিকুজ্জামান রণির নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া তৃতীয় বাঁশি উৎসবেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, তৃতীয় বাঁশি উৎসবকে ব্যাহত করার জন্য অপপ্রচার চালানো হয়েছে, যা সফল হয়নি। তারা এ ধরনের তথ্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং সাধারণ মানুষকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস না করার অনুরোধ করেন।
মো: ফয়েজ উদ্দিন