ঢাকা | বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.

সাইবার বুলিং প্রতিরোধে আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

  • রিপোর্টার : নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টে ২০২৬ | ফটো কার্ড | সংবাদটি দেখেছেন: ২৮৮১
সাইবার বুলিং প্রতিরোধে আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক ছবির ক্যাপশন : স্বাধীন ৭১
ad728
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (IRI) একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আইআরআই-এর রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি (John Fluharty)-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআই-এর টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স।

বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ, তরুণ ও রাজনৈতিক কর্মীদের অনলাইন নিরাপত্তা এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে আইআরআই-এর রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর বাংলাদেশের যুব নেতৃত্ব গঠন এবং সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা নিয়ে তাদের চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সরকারি ও বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি ও কার্যকর আইনগত সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নাগরিকের বাক্‌স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন।

তিনি বলেন, “সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন বা গালিগালাজ এক নয়।”

মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে আইনের যাতে কোনো ধরনের অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে একটি সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আরও সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্বাধীন একাত্তর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ফরিদগঞ্জে হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিকে ডা. রাকিবুল ও ডা. মাহাবুবার

ফরিদগঞ্জে হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিকে ডা. রাকিবুল ও ডা. মাহাবুবার